বৃষ্টিতে ভিজলে কি সত্যিই ঘামাচি কমে? চিকিৎসকদের উত্তর
বৃষ্টিতে ভিজলে ঘামাচি কমে? চিকিৎসকদের মতামত

বর্ষাকালে অনেকের ধারণা, বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঘামাচি কমে এবং ত্বকের নানা সমস্যা দূর হয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই ধারণার পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঘামাচি কমানোর মূল কারণ বৃষ্টির পানি নয়, বরং শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া।

ঘামাচি কেন হয়?

বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত গরমে ঘর্মগ্রন্থির নিঃসরণে বাধা বা প্রদাহের কারণে ঘামাচি হয়। বৃষ্টির পানি তুলনামূলক ঠান্ডা হওয়ায় শরীর শীতল হয় এবং সাময়িকভাবে ঘামাচির জ্বালাপোড়া কমে। একই উপকার সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়েও পাওয়া সম্ভব।

ঠান্ডা পানির ব্যবহার

ঘামাচির সমস্যা থাকলে ঠান্ডা পানিতে গোসল, আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানি ঢালা বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে আরাম মিলতে পারে। মাটির কলসের ঠান্ডা পানিও এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৃষ্টিতে ভেজার পর গোসল

অনেকে মনে করেন, বৃষ্টিতে ভেজার পর গোসল করলে ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ হয়। ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পালের ভাষ্য, এই ধারণা সঠিক নয়। তবে শহরের দূষিত বাতাসে থাকা ধুলাবালি, রাসায়নিক ও অ্যাসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে ত্বকে জমতে পারে। এসব উপাদান ত্বকে র্যাশ, অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তাই পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করে সেগুলো ধুয়ে ফেলা ভালো।

বৃষ্টির পানির কোনো বিশেষ গুণ নেই

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানির কোনো বিশেষ গুণে ঘামাচি সেরে যায় না। শরীর ঠান্ডা হওয়াই এর মূল কারণ। তাই বৃষ্টিতে ভিজুন বা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন—দুই ক্ষেত্রেই সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। তবে ত্বকে অস্বাভাবিক র্যাশ, চুলকানি বা সংক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ