স্বাস্থ্য কার্ড চালু ও বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছেন যে, সরকারের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি নতুন বছরে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আগামী জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হবে।’ পিআইডি হ্যান্ডআউটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নরসিংদীর মনোহরদীতে পহেলা বৈশাখের মেলায় মন্ত্রীর বক্তব্য
মন্ত্রী নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত একটি ঐতিহ্যবাহী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। জনকল্যাণমূলক সরকারি উদ্যোগগুলোর ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, কৃষি ঋণ মওকুফ, সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বরাদ্দ, টিআর ও কবিখা কর্মসূচি এবং খাল খনন প্রকল্পের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব রোধে টিকাদান অভিযান
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হামের প্রাদুর্ভাব রোধে বর্তমানে ৩০টি উপজেলা ও চারটি সিটি কর্পোরেশনে হাম টিকাদান অভিযান চলছে। মন্ত্রী বলেন, ‘২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশের শিশুদের হামের টিকা ও ভিটামিন-এ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে। আমরা হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি এবং আশা করি পরিস্থিতি শীঘ্রই নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
এর আগে, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য পহেলা বৈশাখ শোভাযাত্রা বের করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তার বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্বাস্থ্য কার্ড চালু হলে নাগরিকরা তাদের চিকিৎসা ইতিহাস, টিকাদান তথ্য এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলো সহজে অ্যাক্সেস করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এছাড়াও, তিনি আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসক ও নার্সদের সংখ্যা বাড়ানো এবং ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।



