কিডনি রোগী নুসরাতের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান
কিডনি রোগী নুসরাতের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান

কিডনি রোগী নুসরাতের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান

রাজধানীর উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের রানাভোলা মেইনরোডের ধরঙ্গারটেক এলাকার বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিশার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। মারাত্মক এই স্বাস্থ্য সংকটের মুখে দাঁড়িয়েও তিনি অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। তবে এখন আশার আলো দেখা দিয়েছে, কারণ তার চিকিৎসার দায়ভার নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি পরিবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান।

বিএনপি প্রতিনিধিদলের সরাসরি দেখা ও সহায়তা

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নুসরাত জাহান নিশার বাসায় সরাসরি যান আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা আবুল কাশেমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। এই দলটি নুসরাতের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নুসরাতের জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার পথ সুগম হয়েছে।

এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মুস্তাকিম বিল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মিরাজ আজিম, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ এবং মশিউর রহমান মহান প্রমুখ ব্যক্তিত্ব। তাদের উপস্থিতি এই মানবিক উদ্যোগের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওর মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন

উল্লেখ্য, নুসরাত জাহান নিশা চিকিৎসা সহায়তার জন্য বেশ কিছু দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। এই ভিডিওটি সরাসরি বিএনপি নেতা তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরই প্রেক্ষিতে আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুততার সঙ্গে তার চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তির জীবন রক্ষার গল্পই নয়, বরং এটি রাজনৈতিক দলগুলোর মানবিক দিক এবং সমাজসেবার প্রতিফলনও বটে। প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেতা উভয়েই যখন একজন সাধারণ নাগরিকের পাশে দাঁড়ান, তখন তা জাতীয় ঐক্য ও সহমর্মিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

নুসরাত জাহান নিশার পরিবার এখন আশাবাদী যে, এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। এই উদ্যোগটি অন্যান্য অসহায় রোগীদের জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।