স্ক্রিন টাইম ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ৫ অভ্যাস
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ৫ অভ্যাস: স্ক্রিন টাইম ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা ডেকে আনছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ অভ্যাস আমাদের শরীর ও মনের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হলো পাঁচটি ক্ষতিকর অভ্যাস ও সেগুলো এড়ানোর উপায়।

শক্তির ব্যায়াম না করা

শুধু হাঁটাহাঁটি বা কার্ডিওই যথেষ্ট নয়। স্ট্রেংন্থ ট্রেনিং না করলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি দ্রুত দুর্বল হয় এবং শরীর ভেঙে পড়ে। জিমে না গেলেও ঘরের কাজ যেমন ভারী জিনিস ওঠানামা করা, ঘর মোছা, কাপড় ধোয়া ইত্যাদি করলেও শারীরিক পরিশ্রম হয়। নিয়মিত এই কাজগুলো পেশি শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম

অধিক স্ক্রিন টাইম চোখে চাপ দেয়, ঘুমের মান খারাপ করে, মনোযোগ কমায় ও মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। স্ক্রিন টাইম পুরোপুরি বাদ দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়, তবে দিনে ২-৪ ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম গ্রহণযোগ্য। ৪-৬ ঘণ্টা বিপৎসীমার কাছাকাছি, আর ৬ ঘণ্টার বেশি হলে তা ক্ষতিকর। ৮ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম মারাত্মক ক্ষতিকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যেকোনো বিষয়ে কঠোরতা বা অতিরিক্ত জোরাজুরি

সবকিছু নিখুঁতভাবে করার অভ্যাস বা ব্যর্থ হলে সব শেষ—এমন ভাবনা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ায়। জীবনকে হালকাভাবে নেওয়া এবং রিল্যাক্স করা জরুরি। পড়াশোনা বা পেশাগত কাজে বসে থাকলে নিয়মিত বিরতি নিন এবং হাঁটাহাঁটি ও স্ট্রেচিং করুন।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা

একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকা ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী, রক্তে সুগার বাড়ায় এবং পেশি দুর্বল করে। পড়াশোনা বা পেশাগত কাজে যদি বসে থাকতে হয়, তবে নিয়মিত বিরতি নিয়ে হাঁটাহাঁটি ও স্ট্রেচিং করুন।

অনিয়মিত ঘুম

অস্থিতিশীল ঘুমের রুটিন মনোযোগ কমায়, মেজাজ ধরে রাখা কঠিন করে এবং ক্লান্তি বাড়ায়। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ