রাজধানীতে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত কমিটি পেল আরও ৩ দিন
৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত কমিটি পেল আরও ৩ দিন

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজ জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা ৩ জুন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সন্তানহারা মায়েদের বক্তব্য এখনো নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই তদন্ত কমিটিকে আরও তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আজকে প্রতিবেদন দিতে পারছি না। আরও তিন দিন সময় দিয়েছি কমিটিকে। কারণ সেখানে অবস্থানরত সন্তানহারা মায়েদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

প্রাথমিক তথ্য: এসি বন্ধ ছিল দুই ঘণ্টা

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা এসি বন্ধ ছিল এবং এ সময় কোনো বিকল্প ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদনের আলোকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও লাশ হস্তান্তর

এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করার জন্য পরিবারের আবেদনের পর ছয় নবজাতকের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় এক নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ১১ জন মা ও ছয় নবজাতক ভর্তি ছিলেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাতে ঠান্ডা অনুভব করায় এক মা নার্সকে এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন। পরে প্রায় এক ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখা হয়। তবে গরম অনুভূত হওয়ায় এসি পুনরায় চালু করা হলে কিছু সময়ের মধ্যেই দুই নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে একে একে আরও নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সকালে ছয় নবজাতকেরই মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, এই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।