সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের মতো উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৮ জনে।
নতুন মৃত্যুর বিবরণ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর মধ্যে একটি হামজনিত হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে, বাকি সাতটি সন্দেহভাজন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হামে মোট মৃত্যু ৫৩৬, আর নিশ্চিত মৃত্যু অপরিবর্তিত ৯২।
আক্রান্তের সংখ্যা
২৪ ঘণ্টায় ১,০৯২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা মোট আক্রান্তকে ৮০,১০৪-এ নিয়ে গেছে। একই সময়ে ৯৩ জন নতুন নিশ্চিত হাম রোগী পাওয়া গেছে, ফলে মোট নিশ্চিত সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ৯,৭৭৯ জনে।
হাসপাতালে ভর্তি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে মোট ৬৫,২৩৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ৬১,২৭৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
টিকাদান কার্যক্রম
ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও ও গ্যাভির সহায়তায় সরকার ৫ এপ্রিল জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের আওতায় ১৮টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ জেলার ৩০টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া, ২০ এপ্রিল দেশব্যাপী জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযান শুরু হয়, যার লক্ষ্য দেশের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া।
১১ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, কারণ এই সময়ের মধ্যে টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে।



