বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম: পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ
নতুন শিক্ষাক্রম: পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুত করবে।

নতুন শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য

নতুন শিক্ষাক্রমে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের তিনটি বিষয় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এছাড়াও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, 'নতুন শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা উভয়ই বিকাশে সহায়তা করবে।'

বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ

তবে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বড় বাধা। শিক্ষাবিদরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ ছাড়া এই শিক্ষাক্রম সফল হবে না।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা যথেষ্ট নয়।

শিক্ষার্থীদের মতামত

নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি তাদের চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। আবার অনেকে বলছেন, পরিবর্তনটি খুব দ্রুত আনা হচ্ছে।

একজন শিক্ষার্থী বলেন, 'আমরা আশা করি নতুন শিক্ষাক্রম আমাদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করবে। তবে এর সফল বাস্তবায়ন দেখতে চাই।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ