প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওয়াদা পূরণ হতে চলেছে। বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বগুড়ায় সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার মাত্র নয় দিনের মাথায় গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি জারি হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলাধীন ‘শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ’ সরকারিকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ সম্মতি প্রদান করেছেন। সে মোতাবেক সরকারিকরণের লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। (ক) নিয়োগ ও স্থায়ী-অস্থায়ী সম্পদের হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকরণ; (খ) প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণ; (গ) আর্থিক সংশ্লেষ, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কি না সে বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আইন উপদেষ্টার মতামত এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের অঙ্গীকারনামাসহ প্রতিবেদন প্রেরণ। এমতাবস্থায়, উক্ত কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দ্রুত প্রতিবেদন এ বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২০ এপ্রিল বগুড়া সফরকালে গাবতলীর বাগবাড়ীর শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সে সময় স্থানীয় জনগণ কলেজটি সরকারি করার দাবিতে স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শন করেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে কলেজটি সরকারি করার ঘোষণা দেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘আপনাদের দাবি এই কলেজ সরকারি করতে হবে? যান, হয়ে গেল। এই কলেজ সরকারি ঘোষণা হয়ে যাবে, কাগজ পৌঁছে যাবে।’
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়নে এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বগুড়ার গাবতলীর এই কলেজটি সরকারি হওয়ার ফলে ওই এলাকায় উচ্চশিক্ষার পথ আরও সুগম হবে। বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মভিটা এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ একটি প্রাপ্তি যোগ হলো। স্থানীয়রা জানান, কলেজটি সরকারি হওয়ার ফলে এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার পথ আরও সুগম হবে।



