জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শিখনফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা, যা তাদের সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক হবে।
নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য
নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পরীক্ষার ভিত্তিতে নয়, বরং তাদের দৈনন্দিন শিখন কার্যক্রম, প্রকল্প কাজ, ও গ্রুপ আলোচনার মাধ্যমেও মূল্যায়ন করা হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শিক্ষকদের ভূমিকা
শিক্ষকদের এখন থেকে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন। এছাড়াও, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া
অভিভাবকদের মধ্যে এই পরিবর্তন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এনসিটিবি জানিয়েছে, তারা সকলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এই পদ্ধতি চূড়ান্ত করেছে।
নতুন শিক্ষাক্রমটি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানা গেছে। এনসিটিবি আশা করছে, এই পরিবর্তন শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



