কুমিল্লার ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) বন্ধুসভার সদস্যরা। বন্ধুসভার বন্ধুরা শুধু পাঠচক্র, দক্ষতা উন্নয়ন কিংবা সামাজিক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তাঁরা বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি দেশের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো ভ্রমণের মাধ্যমেও জ্ঞান আহরণে বিশ্বাসী। সেই লক্ষ্যে ১২ মে বন্ধুরা কুমিল্লার ওয়ার সিমেট্রি, রানি ময়নামতির প্রাসাদ, শালবন বিহার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) পরিদর্শন করেন। প্রতিটি স্থানই তাঁদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে নতুনভাবে জানার সুযোগ করে দেয়।
ভ্রমণে আনন্দ ও শিক্ষা
ভ্রমণের শেষ মুহূর্তকে আরও মধুর করে তুলতে বন্ধুরা কুমিল্লার বিখ্যাত মাতৃভান্ডারের রসমালাই উপভোগ করেন। হাসি, আনন্দ, গল্প আর স্মৃতিময় মুহূর্তে ভরপুর এই দিন যেন সবার কাছে এক স্বপ্নের মতো হয়ে থাকে। বন্ধুরা প্রতিটি স্থান থেকে ইতিহাসের নানা দিক সম্পর্কে জানতে পারেন এবং একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
উপস্থিত বন্ধুরা
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক সানজিদ মুনতাসীর, বন্ধু তানভীর ভুঁইয়া, মোহাম্মদ তুহিন, হাসানুল বান্না, তানজিদ হাসান, অনির্বাণ অর্পণ, রকিব হাসানসহ আরও অনেকে। তাঁরা সবাই মিলে এই ভ্রমণকে স্মরণীয় করে তোলেন।
বন্ধুসভার কার্যক্রম
বন্ধুসভা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে পাঠচক্র, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা, এবং দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং তাদের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করে। নোবিপ্রবি বন্ধুসভা ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন সভাপতি।



