কোচিং সেন্টার বন্ধের এখতিয়ার নেই শিক্ষামন্ত্রীর
কোচিং সেন্টার বন্ধের এখতিয়ার নেই শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোচিং সেন্টারগুলো তার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বা স্বীকৃত কোনও প্রতিষ্ঠান নয়, তাই সরাসরি সেগুলো বন্ধের আদেশ দেওয়া তার এখতিয়ারভুক্ত নয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

কোচিং সেন্টার বন্ধের প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য

মন্ত্রী বলেন, “কোচিং সেন্টার কি রেজিস্টার্ড? আমি কি এগুলো বন্ধ করার অথরিটি? আমি তো কোচিং সেন্টার রিকগনাইজ করি না। তবে কোচিং সেন্টার তখনই বন্ধ হবে যখন আর এগুলোর প্রয়োজন থাকবে না।” তিনি জানান, যদি ক্লাসরুম এডুকেশন মানসম্মত হয় এবং পরীক্ষা ও ভর্তির মাঝখানে কোনও গ্যাপ না থাকে, তবে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হবে না। তখন এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ইন-হাউস কোচিং

শিক্ষামন্ত্রী ভবিষ্যতে ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব বাড়িয়ে ‘ইন-হাউস কোচিং’ বা নিজ শিক্ষকদের মাধ্যমেই পাঠদানের পুরনো প্রথায় ফিরে আসার ইঙ্গিত দেন। এছাড়া কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে, কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কোচিং সেন্টার বন্ধের জন্য সরাসরি আদেশ না দিলেও, শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোচিংমুখী হওয়ার প্রবণতা কমানো সম্ভব। তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা শ্রেণিকক্ষে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করেন, যাতে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন না হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ