কারিগরি ও মাদ্রাসার ২৬২ শিক্ষকের সনদ জাল, ব্যবস্থা নিতে চিঠি
কারিগরি ও মাদ্রাসার ২৬২ শিক্ষকের সনদ জাল, ব্যবস্থা নিতে চিঠি

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) বেসরকারি স্কুল ও কলেজের ৪৭১ জন শিক্ষকের পর এবার কারিগরি ও মাদ্রাসার ২৬২ জন শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাটি। এর মধ্যে ২৫১ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল বলে জানা গেছে।

তালিকা পাঠানো

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আজ সোমবার কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে ওই সব শিক্ষকের তালিকা পাঠিয়েছে ডিআইএ। চিঠিতে কার কাছ থেকে কত টাকা আদায়যোগ্য তাও উল্লেখ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, টাঙ্গাইলের সখীপুরের একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করতে বলা হয়েছে। অন্যান্য শিক্ষকের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা আদায়ের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

জাল সনদের বিবরণ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৫১ জন শিক্ষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল বা ভুয়া। বাকি ১১ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বা জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী ঘটনা

এর আগে সম্প্রতি বেসরকারি স্কুল ও কলেজের ৪৭১ জন শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ সুপারিশ পাঠিয়েছিল ডিআইএ। এর ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) চিঠি দিয়েছে।

ডিআইএ-এর ভূমিকা

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছতা আনতে দেশের মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমের বিষয়ে পরিদর্শন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে থাকে। তবে এ সংস্থার কাজকর্ম নিয়েও নানা রকমের অভিযোগ উঠেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ