এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫৩ হাজারের বেশি আবেদন প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫৩ হাজারের বেশি আবেদন

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৫৩ হাজারের বেশি আবেদন

দেশের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মোট ৫৩,০৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন বলে মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। লিখিত পরীক্ষা আগামী ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি (এনটিআরসিএ)।

সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ

মঙ্গলবার সকালে এনটিআরসিএর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, সারা দেশের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১২,৯৫১টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে ১১,১৫১টি।

আবেদনকারীদের বিভাগভিত্তিক বণ্টন

প্রাপ্ত আবেদনপত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিএসএইচই) অধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করেছেন ৭,৯০৮ জন
  • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করেছেন ১১২ জন
  • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করেছেন ৩,১৩১ জন

নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পরীক্ষার প্রস্তুতি

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, "৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)" বিজ্ঞপ্তি ২৫ মার্চ প্রকাশের পর এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোট আবেদনকারীদের মধ্যে ৪৭,৩৫১ জন পুরুষ এবং ৫,৭১৮ জন নারী।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও জানান, পরীক্ষার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চলছে এবং পরীক্ষা শেষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সক্রিয়ভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ বছরে দুটি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদ পূরণের পাশাপাশি শিক্ষকদের পেশাগত মানোন্নয়নও নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। এনটিআরসিএর এই উদ্যোগ বেসরকারি শিক্ষাখাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।