এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ করার উদ্যোগ
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতা বৃদ্ধির বড় ঘোষণা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই বৃদ্ধি কার্যকর হলে শিক্ষক-কর্মচারী উভয়েই সমান হারে ৬০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাবেন।

অতিরিক্ত ব্যয় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক সূত্র বুধবার (৪ মার্চ) জানিয়েছে, উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ করা হলে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। সুনির্দিষ্ট ব্যয় নিরূপণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরসহ (মাউশি) সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোর কাছে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরগুলো থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদুল ফিতরের আগেই বর্ধিত ভাতা পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা চেষ্টা করছি আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বেই যেন শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্ধিত উৎসব ভাতা পান। এজন্য দ্রুত অধিদপ্তরগুলোকে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পরপরই তা অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং ঈদ উপলক্ষে তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উৎসব ভাতার পূর্ববর্তী অবস্থা

প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আগে মূল বেতনের ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পেতেন, অন্যদিকে কর্মচারীরা পেতেন ৫০ শতাংশ। গত বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য উৎসব ভাতা আরও ১০ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবির প্রতি সরকারের ইতিবাচক সাড়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী উপকৃত হবেন। এটি শিক্ষাখাতের উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।