প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নতুন কর্মসূচি, জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে পঞ্চম পিইডিপি
জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নতুন কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সংসদে ঘোষণা করেছেন যে পাঁচ বছর মেয়াদি "পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি" আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হবে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

হুমাম কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৭) এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আপনারা জানতে পেরে খুশি হবেন যে পাঁচ বছর মেয়াদি পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির অধীনে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষককে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষাদানের মান ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষক সংখ্যা ও প্রশিক্ষণের বর্তমান অবস্থা

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান যে বর্তমানে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ৩,৭৬,৪৮৯ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ১,৩০,০০০ জন শিক্ষক ইতিমধ্যেই চলমান "চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি"-এর অধীনে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

বেসরকারি স্কুল পরিচালনা নীতিমালা

হুমাম কাদের চৌধুরীর একটি পরিপূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে বেসরকারি স্কুল পরিচালনার জন্য সরকারের একটি নীতিমালা রয়েছে। তিনি এই নীতিমালার মাধ্যমে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদীয় অধিবেশনের কার্যক্রম

বুধবার সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদীয় অধিবেশন শুরু হয়। ১০ এপ্রিলের পর এটি ছিল প্রথম অধিবেশন। দিনের কার্যসূচির প্রথম বিষয় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর পর্ব নির্ধারিত ছিল। সংসদ সদস্যরা অধিবেশনের শুরুতে নির্ধারিত প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

এই নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এই কর্মসূচির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।