প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাদ্য কর্মসূচিতে অনিয়ম বরদাস্ত নয়: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিকের খাদ্য কর্মসূচিতে অনিয়ম বরদাস্ত নয়: ববি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ রোববার বলেছেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করবে না।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাদ্য কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহকৃত খাদ্য মজুত করার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিদিনের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্য অবশ্যই একই দিনে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী ঢাকার মিরপুরের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ববি হাজ্জাজ বলেন, “স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্পন্ন ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে সরকার সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই খাদ্য সঠিকভাবে শিশুদের কাছে পৌঁছাক। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি দায়িত্বশীল আচরণ না করেন, তাহলে ভবিষ্যতে তাদের চাকরি বা ব্যবসা কোনো কিছুই নিরাপদ থাকবে না।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, খাদ্যের গুণগত মান, সরবরাহ বা বিতরণে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

“ব্যবসার মৌলিক শর্ত হলো চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করা। আর এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দেওয়া,” তিনি বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চলছে এবং প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি জাতীয় বাজেটের প্রায় এক শতাংশের সমান।

“৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার পর যদি খাদ্য সঠিকভাবে পৌঁছানো না যায়, তাহলে তা জনগণের প্রতি অবিচার হবে,” তিনি বলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, সব সরবরাহকারীকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পূর্ণ মানচিত্র জমা দিতে হবে, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে কোন কারখানা থেকে পণ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং কোথায় বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে যোগ্য খাদ্য প্রযুক্তিবিদ নিয়োগের নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী, মিড-ডে মিল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।