মিরসরাইয়ে উত্তরপত্র না দেখানোয় দুই পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত
মিরসরাইয়ে উত্তরপত্র না দেখানোয় ছুরিকাঘাত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র না দেখানোকে কেন্দ্র করে দুই পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার এই ঘটনার পর মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানা-পুলিশ চার এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে। আটক চারজন করেরহাটের একটি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিল, অপরদিকে হামলার শিকার দুই পরীক্ষার্থী বারইয়ারহাটের একটি বিদ্যালয়ের ছাত্র।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ জানায়, গতকাল বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার বারইয়ারহাট কলেজের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন বারইয়ারহাট কলেজ কেন্দ্রে এসএসসির বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী দুই পরীক্ষার্থীকে উত্তরপত্র দেখানোর অনুরোধ করে। তারা তখন উত্তরপত্র দেখাতে রাজি হয়নি। পরে পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে ১০ থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী ওই দুই পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করে।

চিকিৎসা ও আইনগত ব্যবস্থা

আহত দুজনকে বারইয়ারহাট পৌরসভার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর আহত পরীক্ষার্থীদের একজনের বাবা জোরারগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গতকাল রাতেই করেরহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আটক করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কেন্দ্রসচিবের বক্তব্য

এ বিষয়ে বারইয়ারহাট কলেজ কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিব এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল পরীক্ষার যাবতীয় কার্যক্রম শেষে আমরা বাড়ি চলে আসার পর খবর পাই কলেজ গেটের বাইরে পরীক্ষার খাতা না দেখানোকে কেন্দ্র করে দুই পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছে। এ বিষয়ে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমরাও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

থানার ওসির বক্তব্য

জানতে চাইলে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র না দেখানোকে কেন্দ্র করে গতকাল দুই পরীক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের একজনের বাবা থানায় মামলা করেছেন। আমরা রাতভর অভিযান পরিচালনা করে করেরহাট এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আটক করেছি। আজ সোমবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’