রামপুরায় মাদ্রাসাছাত্র ধর্ষণ মামলায় শিহাব কারাগারে
রামপুরায় মাদ্রাসাছাত্র ধর্ষণ মামলায় শিহাব কারাগারে

রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সেখানকার শিক্ষার্থী মো. শিহাব হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৫ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আজ শিহাবকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে, শিহাবের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদ্রাসার এক ছাত্রের বাবা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ওই মামলায় গত শনিবার শিহাবকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন রামপুরা থানার এসআই একরামুল হক। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আগামী ২ জুনের দিন ধার্য করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে বলা হয়, বনশ্রীর আলোকিত কোরআন হিফজ মাদ্রাসায় ছোট-বড় মিলে ৫৮ জন ছাত্র রয়েছে। শিহাব ওই মাদ্রাসায় দুই বছর যাবৎ পড়াশোনা করছে। মাদ্রাসার চার ছাত্রের সঙ্গে খারাপ কাজ করার প্রস্তাব দেন তিনি। এদের মধ্যে একজন তার অভিভাবকের কাছে বলে দেয়। তখন বিষয়টি মামলার বাদীর কানে আসলে তাকে প্রথমবারের মত সতর্ক করে ক্ষমা করে দেয়। গত ১০ মার্চ সেখানকার ১২ বছরের এক ছাত্রকে ধর্ষণ করে। তদন্তে গিয়ে পুলিশ আরও দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রমাণ পায়। গত ১৯ মে রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত ১৮ মে রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে 'আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা' থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়।

শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন ২০ মে রামপুরা থানায় শিহাব ও নাম না জানা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।