ঢাবি ক্যাম্পাসে বৈশাখী শোভাযাত্রার নিরাপত্তায় কঠোর প্রস্তুতি ও নজরদারি
ঢাবিতে বৈশাখী শোভাযাত্রার নিরাপত্তায় কঠোর প্রস্তুতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রার নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৈশাখী শোভাযাত্রাকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই চারুকলা অনুষদ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব, ডিবি এবং সোয়াট সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছেন। উৎসবকে নিরাপদ রাখতে তল্লাশি, ব্যারিকেড ও নিয়ন্ত্রিত প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর তৎপরতা

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ, ডিবি, র‍্যাব ও সোয়াট সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। এছাড়া, সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সদস্যদেরও ভিড়ের মধ্যে সতর্ক নজর রাখতে দেখা গেছে, যা যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের পরিচয়পত্র যাচাই করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিরা উৎসবে অংশ নিতে না পারে।

প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা ও টহল জোরদার

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। চারুকলা অনুষদ, দোয়েল চত্বর, টিএসসি ও আশপাশের এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে উৎসবের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে। এই ব্যবস্থাগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাজ করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শোভাযাত্রার রুট ও সময়সূচি

এ দিকে সকাল ৯টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে। চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে যাত্রা শুরু করে শোভাযাত্রাটি শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি ঘুরে আবার চারুকলা অনুষদে ফিরে এসে শেষ হবে। এই রুটটি ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী উদযাপনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়েছে।

সর্বোপরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রাকে সফল ও নিরাপদ করতে এই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলা নববর্ষের উৎসবকে আরও আনন্দময় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।