ময়মনসিংহে শম্ভুগঞ্জ-পাটগুদাম ব্রিজ সড়কে ভয়াবহ যানজট, দুর্ভোগে রোগী-যাত্রীরা
ময়মনসিংহে শম্ভুগঞ্জ-পাটগুদাম ব্রিজ সড়কে ভয়াবহ যানজট

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জ থেকে পাটগুদাম ব্রিজ পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘ ও অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ময়মনসিংহের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর ও শেরপুরের সংযোগস্থল প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে যানজটে আটকা পড়েছে শত শত যানবাহন।

শুক্রবারের যানজটের চিত্র

শুক্রবার (২৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসা মুমূর্ষু রোগী, তাদের স্বজন এবং সাধারণ যাত্রীরা।

যানজটের কারণ

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সড়কের বিভিন্নস্থানে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহন যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাসচালকদের অবাধ প্রতিযোগিতা এবং সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানোয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অ্যাম্বুলেন্স আটকে থাকায় রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা

বিভিন্ন এলাকা থেকে বেড়াতে এসে শম্ভুগঞ্জ থেকে পাটগুদাম ব্রিজে যানজটে আটকা পড়েছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা আসমা খাতুন নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, ‘আমরা জেলার তারকান্দা থেকে রোগী নিয়ে এসেছি। শম্ভুগঞ্জ এলাকায় এসে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। রোগীর অবস্থা খুব খারাপ, কিন্তু কোনোভাবেই সামনে এগোনো যাচ্ছে না।’

আব্দুল হাই নামের আরেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়কের মাঝখানে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলে। ট্রাফিক পুলিশ সামনে থাকলেও কিছু বলতে বলছে না। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ছে। টাঙ্গাইল থেকে নেত্রকোনায় ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসা যাত্রী ও স্থানীয় সাংবাদিক মীর আরোয়ারুল হাসান টুটুল জানান, সকাল সাড়ে ১১ থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এখনও যানজটের কারণে আটকা আছি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাফিক পুলিশের বক্তব্য

ময়মনসিংহের ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর গোলাম মাওলা যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন, যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, অবৈধ পার্কিং এবং সড়কে যাত্রী উঠানোর কারণে যানজট নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। বাসের শ্রমিকরা কোনো কথাই শুনছে না। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছি।