ডিএসসিসির খাল খনন প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘোষণা দিয়েছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অধীনস্থ ডিএনডি খাল খনন ও খালের দু’পাশে গার্ডওয়াল স্থাপনের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জিয়া সরণি খাল খনন করে পরিকল্পিতভাবে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রকল্পের কাজ শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কদমতলী এলাকায় জিয়া সরণি খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ডিএসসিসির অর্থায়নে আগামী জুলাই মাস থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, “জিয়া স্মরণি খালে শুধু জিয়া নামটি হওয়ায় বিগত সরকার ১৯ বছরে খালটি পুনঃখননসহ উদ্ধারের কোনও ব্যবস্থা করেনি। এমনকি জিয়া সরণি সড়কের কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেনি। এতে এলাকার বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। কার কী নাম সেসব আমরা দেখতে চাই না, আমাদের মূলমন্ত্র হলো দেশের উন্নয়ন করা।”
খাল খননের কাজ শুরু হবে বর্ষার পর
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আগামী বর্ষার পর থেকে খালগুলো খননের কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যে পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। ঢাকার সব খাল উদ্ধার ও দখলকারীদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, “শুধু দখল ও দূষণের কারণে এসব খালগুলো নাব্যতা হারাচ্ছে, যা নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যাকে আরও তীব্র করছে। তাই ঢাকাকে জলাবদ্ধ মুক্ত রাখতে, পানি প্রবাহ সচল করতে খালটিতে ৩০০ কোটি টাকার বাজেট দেওয়ার কথাও জানান তিনি।”
শ্যামপুর খাল খননে ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
এদিকে, শ্যামপুর খাল খনন ও বাঁধের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বাজেট দেওয়ার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি দ্রুত খালটি পরিষ্কার, দখলমুক্ত ও সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ডিএসসিসি এই কাজগুলো বাস্তবায়ন করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।



