রাজধানীতে আজকের কর্মসূচি: বৃক্ষরোপণ, সংসদ বৈঠক ও ডিএসসিসি পরিদর্শন
আজকের রাজধানী কর্মসূচি: বৃক্ষরোপণ, সংসদ বৈঠক

রাজধানীতে আজকের কর্মসূচি: বৃক্ষরোপণ, সংসদ বৈঠক ও ডিএসসিসি পরিদর্শন

শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দিনের শুরুতেই জেনে নিন উল্লেখযোগ্য কর্মসূচিগুলোর বিস্তারিত বিবরণ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সকাল সাড়ে ১০টায় সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মাদানী এভিনিউ পর্যন্ত সংযোগ সড়কে, জলসিড়ি আবাসন সংলগ্ন এলাকায় এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। এই উদ্যোগটি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদ কমিটির বৈঠক ও অধিবেশন

জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে বেলা ১১টার দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আইন ও নীতিমালা বিষয়ে আলোচনা করা হতে পারে।

এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে, যা দেশের আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। সংসদীয় কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ডিএসসিসি প্রশাসকের পরিদর্শন

দুপুর ১টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে শহরের অবকাঠামো ও পরিবেশগত অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ডিএসসিসি প্রশাসকের এই সফর রাজধানীর নাগরিক সুবিধা উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সরকারি কর্মসূচিগুলো দেশের উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রাজধানীতে আজকের এই কর্মসূচিগুলো নাগরিক জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যাচ্ছে।