জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম-খতিবদের অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব বা ধর্মগুরুদের সদস্য হিসেবে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়ন কর্মসূচি
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এরই মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালু হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে, যা কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান ও সহযোগিতা
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে, আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।” প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মিটিংয়ে একজন ইমাম-খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচি
সরকারের নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে, যা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।



