ডিএনসিসি প্রশাসকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে ইফতার, সম্মান ও দায়িত্বের আহ্বান
ডিএনসিসি প্রশাসকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে ইফতার

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সম্মানে ডিএনসিসির ইফতার আয়োজন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মিরপুরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে ইফতার করে তাদের কাজের প্রতি গভীর সম্মান ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি শহর পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।

শহর পরিচ্ছন্নতায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান

ডিএনসিসি আয়োজিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নাগরিকদের একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহর উপহার দেওয়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ভোর থেকে নগর পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশক নিয়ন্ত্রণে যারা নিরলসভাবে কাজ করছেন, তাদের সম্মান জানাতেই এই ইফতার আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমরা আজ থেকে শপথ করবো— যার যে দায়িত্ব রয়েছে, তা আমরা সঠিকভাবে পালন করবো।” এই মাহফিলে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিপুলসংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন, যা তাদের প্রতি কর্তৃপক্ষের সমর্থন ও স্বীকৃতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দায়িত্ব পালনে পুরস্কার ও জবাবদিহিতার ঘোষণা

প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যারা দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। অন্যদিকে দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই বক্তব্যে তিনি কর্মীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি জবাবদিহিতার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, শহরের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য রক্ষায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ভূমিকা অপরিসীম, এবং তাদের শ্রমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এই ইফতার মাহফিলটি ডিএনসিসির পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শহর পরিচালনায় মানবিক দিকটিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।