স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আসন্ন কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। চাঁদাবাজির কোনও ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, কোরবানির পশু আনা-নেওয়ার সময় সড়কে চাঁদাবাজি রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং এ ধরনের কোনও অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাটের সীমানা ও গরু আসার পরিমাণ
প্রধান সড়কে হাটের সীমানা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনা ঘটে। গাবতলী হাটে টার্গেট এক লাখ গরু আসবে। কোন কারণে ১ লাখ ৩০ হাজার গরু আসলো। গরু যারা কেনা-বেচা করে তারা আমাদের কাছে আগেই বলেন না যে, কত গরু নিয়ে আসবেন এবং কত গরু কিনবো। সে বিষয়েও আমাদের প্রস্তুতি থাকবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
তিনি আরও জানান, হাটগুলোর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও সেনাবাহিনীও মাঠে থাকবে। পাশাপাশি ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক (ভলেন্টিয়ার) দল থাকবে, যারা হাট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে।
সুপারিশ বাস্তবায়ন
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে পাওয়া কিছু সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সে অনুযায়ী ইজারাদার ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করবে। হাট এলাকায় ওয়াচ টাওয়ার স্থাপনসহ নকল টাকা ব্যবহার রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



