সিলেটে পর্যটকের মৃত্যু: ১৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার লাশ
সিলেটে পর্যটকের মৃত্যু: ১৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার লাশ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন স্পটে ঢালাই নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ ১৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় এক জেলের সহায়তায় সাদাপাথর রোপওয়ে বাংকারের কাছে পিলার নং ৩ এর পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিখোঁজ পর্যটকের পরিচয়

নিহত পর্যটকের নাম ডা. সুব্রত সাহা বিকাশ (৩৩)। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতী উপজেলার মিহির লাল সাহার ছেলে। বৃহস্পতিবার তিনি তিন বন্ধুর সাথে ঢাকা থেকে সিলেটে বেড়াতে আসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে তারা চারজন সাদাপাথর পর্যটন স্পটে ঢালাই নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় স্রোতের তোড়ে তারা ভেসে যান। দুজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ডা. সুব্রত সাঁতার জানতেন না বলে নিখোঁজ হন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ধার অভিযান

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বেশ কয়েক ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তাকে খুঁজে পায়নি। অন্ধকারের কারণে রাত ৭টার দিকে অভিযান স্থগিত করা হয়। শুক্রবার সকালে জেলে রুবেল মিয়া (২৮) ঢালাই নদীতে মাছ ধরার সময় পানিতে ভাসমান কিছু দেখতে পান। কাছে গিয়ে তিনি নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দেখতে পান। মরদেহের একটি ছোট অংশ পানির উপরে দেখা গেলেও অধিকাংশই ডুবে ছিল। তিনি মরদেহ উদ্ধার করে পর্যটন জেটিতে নিয়ে আসেন।

পুলিশি প্রক্রিয়া

পরে পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা মরদেহ কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিয়ে যান। ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জগৎ জ্যোতি দাস জানান, নদীতে মাছ ধরার সময় জেলে মরদেহটি পান। নিহতের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ গ্রহণের আবেদন করেছে। উচ্চ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম খান জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ