হোলি আর্টিজান বেকারি হামলার ১০ বছর: শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন
হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর: শহীদদের স্মরণ

বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা বুধবার হোলি আর্টিজান বেকারি হামলার শিকারদের স্মরণ করেছেন। ওই হামলায় নয় ইতালীয়সহ ২৪ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণ অনুষ্ঠান

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো তার বাসভবনে ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইতালীয় দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সারি প্রধান লরা শেলা স্মরণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং সকল নিহতের নাম পাঠ করেন, পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কর্পসের ডিন ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এসওয়াই রমাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপ-মিশন প্রধান আলবার্ট সেয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় অগ্রগতি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ কখনোই ন্যায়সঙ্গত হতে পারে না এবং বাংলাদেশ কাউকে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের কূটনৈতিক এলাকায় হোলি আর্টিজান বেকারিতে এই হামলা সংঘটিত হয়, যেখানে ২৪ জন নিহত হন (২০ জিম্মি ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা, ছয় হামলাকারীসহ)। ১২ ঘণ্টার এই অবরোধ দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ছিল।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা যেন ভুলে না যাই... আর কখনো নয়।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ