আয়ারল্যান্ডে মার্কিন সামরিক বিমানের ওপর চড়ে বসার অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার
আয়ারল্যান্ডে মার্কিন সামরিক বিমানের ওপর চড়ে বসার অভিযোগে গ্রেপ্তার

আয়ারল্যান্ডের বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক বিমানের ওপর চড়ে বসার অভিযোগে গ্রেপ্তার

আয়ারল্যান্ডের একটি বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক পরিবহন বিমানের ক্ষতিসাধনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার কাউন্টি ক্লেয়ারের শ্যানন বিমানবন্দরে এ অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি বিমানবন্দরের ট্যাক্সিওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘সি-১৩০ হারকিউলিস’ মডেলের একটি পরিবহন উড়োজাহাজের ডানার ওপর স্পষ্টতই চড়ে বসেছেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

আয়ারল্যান্ডের পুলিশের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, শনিবার সকালে এক ব্যক্তি কাউন্টি ক্লেয়ারের শ্যানন বিমানবন্দরের একটি অননুমোদিত এলাকায় প্রবেশ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বেলা ১১টার ঠিক আগে সম্পত্তির ক্ষতি করার অভিযোগে চল্লিশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে ১৯৮৪ সালের ফৌজদারি বিচার আইনের ৪ নম্বর ধারায় ক্লেয়ার বা টিপ্পারারি বিভাগের একটি থানায় তাকে আটক রাখা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনাস্থলে জরুরি পদক্ষেপ

পুলিশের পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিজস্ব পুলিশ বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এবং দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে এর কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এতে দুটি ফ্লাইটের উড্ডয়ন বিলম্বিত হয়। এ ছাড়া ফ্রান্স থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ অবতরণ করতে না পেরে আকাশে চক্কর দিতে বাধ্য হয়। বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

কার্যক্রম স্বাভাবিককরণ

শ্যানন এয়ারপোর্ট গ্রুপের একজন মুখপাত্র জানান, এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরই বিমানবন্দরের কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, সকাল আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম বন্ধ করেছিল এবং ১০টা ১৫ মিনিটে তা পুনরায় চালু হয়।

এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা ঘটনার তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। মার্কিন সামরিক বিমানটি আয়ারল্যান্ডে কেন অবস্থান করছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।