সদরঘাট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার
সদরঘাট দুর্ঘটনায় মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার

সদরঘাট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষের পর নিখোঁজ হওয়া মিরাজ ফকিরের মরদেহ ৪৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে নদী পুলিশ। ৫২ বছর বয়সী মিরাজ ফকিরের মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে কেরানীগঞ্জের একটি লবণের মিলের কাছে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের বিস্তারিত বিবরণ

বরিশাল নদী পুলিশ আউটপোস্টের কর্মকর্তারা মরদেহটি উদ্ধার করেন। নদী পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, “প্রায় ৬টা ৪৫ মিনিটে কেরানীগঞ্জের লবণের মিলের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর একটি অংশ থেকে মিরাজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মৃতের আত্মীয়রা মিরাজ ফকিরের মরদেহ শনাক্ত করেন। বর্তমানে মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।”

দুর্ঘটনার পটভূমি ও পূর্ববর্তী ঘটনা

এর আগে, ১৮ মার্চ সদরঘাটে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে ২২ বছর বয়সী সোহেল নিহত হন। একই ঘটনায় তার গর্ভবতী স্ত্রী রুবা আহত হন এবং বর্তমানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনার দিন মিরাজ ফকির তার ছেলে ও বউকে নিয়ে একটি ট্রলারে করে নদীর মাঝখানে নোঙর করা একটি লঞ্চের দিকে যাচ্ছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেই সময় ট্রলারটি ঢাকা-ইলিশা রুটের “আশা জাওয়া-৫” এবং ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট রুটের “এমভি জাকির সম্রাট-৩” লঞ্চ দুটির মাঝখানে আটকে পড়ে এবং চাপা পড়ে। এই সংঘর্ষের পর মিরাজ ফকির নিখোঁজ হয়ে যান, যা শেষ পর্যন্ত ট্র্যাজেডির দিকে মোড় নেয়।

নদী পুলিশের তৎপরতা ও উদ্ধার অভিযান

নদী পুলিশের কর্মকর্তারা মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চালান। ৪৯ ঘণ্টার দীর্ঘ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের পর বুড়িগঙ্গা নদীর নির্দিষ্ট স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এই ঘটনাটি নদীপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা আবারও তুলে ধরেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য সহানুভূতি ও সমবেদনা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নদী পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।