ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর চামড়া পাচার, মাদক চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে যশোর ও খুলনা সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এবং খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদার
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, প্রতি বছর ঈদুল আজহায় সারা দেশে বিপুল সংখ্যক পশু কোরবানি দেওয়া হয়, যা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে যে পশুর চামড়া সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাচার হতে পারে। এই ধরনের কার্যকলাপ রোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় সভা
সীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গেও নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিজিবি জানিয়েছে, ঈদুল আজহা চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপ রোধে সীমান্তে নিবিড় টহল জোরদার করা হয়েছে।
চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট
যশোরের ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে শার্শা উপজেলার কয়েকটি পয়েন্টকে চামড়া পাচারের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, পুটখালী, দৌলতপুর, সাদীপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রদুলোট, পাঁচভূলট ও দাদখালী।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ
স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীরা এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কর্মকর্তারা জানান, এই এলাকাগুলোতে বিজিবি ও পুলিশ উভয় বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।



