পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ ৬ লাখ টাকা লুট
পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক পুলিশ কর্মকর্তার ঘরে ঢুকে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৬ লাখ টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তির হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পুলিশ কর্মকর্তা

ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. রিফাত হোসেন। তিনি শান্তির হাট বাজার এলাকার আজাদ মিয়ার ছেলে এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশে উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে একটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে একদল দুর্বৃত্ত বাড়ির সামনে আসে। জানালার গ্রিল কেটে বসতঘরে ঢুকে পড়ে দুর্বৃত্তরা। এরপর ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৬ লাখ টাকা লুট করে। এ সময় ওই পুলিশ সদস্যের পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদের ধারালো অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এসআই রিফাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে তাঁর মা ও ছোট বোন ছিল। দুর্বৃত্তরা বাড়ির পাকা ভবনের জানালার থাই গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে লুটপাট চালায়। এ সময় কাচ ভাঙার শব্দে তাঁর মায়ের ঘুম ভাঙলে তিনি ঘরের ভেতর তিন ব্যক্তিকে দেখে চিৎকার দেন। তখন দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। রিফাত হোসেন আরও বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং আমার বড় ভাইয়ের ব্যবসার নগদ ৬ লাখ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।’

পুলিশের পদক্ষেপ

জানতে চাইলে চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে গেছে বলে বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেছেন। ওই পরিবারকে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ