গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২২ জন নিহত এবং ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু ও ৪ জন নারী রয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।
হামলার লক্ষ্যবস্তু ও বিবরণ
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই হামলা চালানো হয় হামাসের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে লক্ষ্য করে। দেইফ গাজার খান ইউনিস এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তবে হামাসের পক্ষ থেকে দেইফের হতাহতের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়া হয়নি।
হামলায় গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়, যার ফলে ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলায় বেশ কয়েকটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকার করলেও বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই হামলাকে ‘নৃশংসতা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সংঘাতের প্রেক্ষাপট
গাজায় চলমান ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের মধ্যে এই হামলা সর্বশেষ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছে। ইসরায়েলের দাবি, হামাস রকেট হামলা চালাচ্ছে, যার জবাবে তারা সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।
ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত গাজায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলে হামাসের রকেট হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছে।



