চট্টগ্রামে যুবলীগ কর্মী আটকের পর পুলিশের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ
চট্টগ্রামে যুবলীগ কর্মী আটকের পর পুলিশের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

চট্টগ্রামে মো. আকিজুল হক নামে এক যুবলীগ কর্মীকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন রাশমনি ঘাটসংলগ্ন টোল রোডে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই আমজাদ হোসেন ওই যুবলীগ কর্মীকে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আটকের ঘটনা ও স্থানীয় বিবরণ

যুবলীগ কর্মী আকিজুল পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী ১১নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক কমিশনার বাড়ির মোহাম্মদ আলীর ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি থানার বাসিন্দা। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকাতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার মিছিল-মিটিংয়ের অসংখ্য ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলী ছিদ্দিক কমিশনার বাড়ির বড় পুকুরের সামনে আকিজুলকে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় তিনি একটি মাইক্রোবাসে ছিলেন। একপর্যায়ে টহল ডিউটি পালন করা থানার এএসআই আমজাদ হোসেন এগিয়ে আসেন। বাগবিতণ্ডার বিষয়টি জানতে পেরে মোবাইল ফোনে কথা বলার পর আকিজুলকে চলে যেতে বলেন পুলিশ। এ সময় অদৃশ্য কারণে তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা তল্লাশি করা হয়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই আমজাদ হোসেন বলেন, “টোল রোডে দায়িত্ব পালনকালে দুইপক্ষের ঝামেলা সমাধান করে দিয়েছিলেন তিনি। থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে দুইপক্ষকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। সেখানে আকিজুলের রাজনৈতিক পরিচয় তিনি জানতেন না।”

এ বিষয়ে জানতে পাহাড়তলী থানার ওসি নুরুল আবছারকে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ