স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ডাক টিকিট অবমুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সময়সূচি ও উপস্থিতি
অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন জানান, বুধবার সকাল ৯টা ২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে আগমন করেন। দপ্তরে পৌঁছে তিনি প্রথমে বেশ কিছু জরুরি দাপ্তরিক কার্য সম্পাদন করেন, এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন:
- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
- ডাক সচিব আব্দুন নাসের খান
- ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম
- অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ
এই উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্যকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
মন্ত্রিপরিষদ সভার সময় পরিবর্তন
অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন আরও জানান, আজ বুধবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়, তবে চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বৈঠকটি একদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি
২০০৮ সালের পর দীর্ঘ দেড় যুগ পেরিয়ে এবার এক ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহে সারা দেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। এবার ১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে, যা দেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করবে। এই উদযাপন জাতীয় ঐক্য ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে, যেখানে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পদক্ষেপ।
এই স্মারক ডাক টিকিটটি স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের বার্তা বহন করবে, যা ডাক সেবার মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ সরকারের জাতীয় দিবস উদযাপনে অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে এবং জনগণের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখছে।



