প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের ইফতার মাহফিল বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর দুই ইফতার মাহফিল বাতিল, কূটনীতিকদের মাহফিল চলবে

প্রধানমন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত ইফতার মাহফিল বাতিলের সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে পূর্বঘোষিত দুইটি ইফতার মাহফিল বাতিল করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ ২০২৬) প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কূটনীতিক ও ধর্মীয় নেতাদের মাহফিলে উপস্থিতি

তবে কূটনীতিক এবং এতিম-আলেম-উলামাদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দুটি ইফতার মাহফিল যথাক্রমে ৬ মার্চ ও ৭ মার্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। এই মাহফিল দুটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়ই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজনীতিবিদদের সম্মানে ৮ মার্চ এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে ১০ মার্চের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলের সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বাতিল করা হয়েছে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিবছরের রীতি ও এবারের পরিবর্তন

প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকে তারেক রহমান নিজের বাসায় পরিবারের সঙ্গেই ইফতার করছেন। এই সিদ্ধান্তটি তার ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অতিরিক্ত প্রেসসচিব আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সিদ্ধান্তটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে। তিনি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলার মাধ্যমে একটি সংযত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের উদাহরণ স্থাপন করতে চাইছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পরিবর্তনটি রাজনৈতিক ও সাংবাদিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তবে অনেকেই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। কূটনীতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্মানে মাহফিল চলমান রাখার সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক ও সামাজিক সম্পর্ক রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।