প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন: কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই দায়িত্ব বণ্টনের আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টাদের দায়িত্ব

মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টাদের মধ্যে তিনজনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (মির্জা আব্বাস), নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টাদের বণ্টন

প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র, দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাহেদ উর রহমান পলিসি অ্যান্ড স্ট্যাটেজি বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন। মাহ্দী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রেহান আসিফ আসাদ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিয়োগের পটভূমি

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় এই ১০ জনকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই সাথে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

এই দপ্তর বণ্টন নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো সুসংহত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উপদেষ্টারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।