মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি
শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন তিনি। বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কঠোর প্রস্তুতি

মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ২১ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ মিনার এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, এই উপলক্ষে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। তিনি শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, "কয়েক দিন আগে নির্বাচন হয়েছে, কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি ঘটেনি। আশা করছি, এখানেও হবে না। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সঙ্গে থাকবে স্বেচ্ছাসেবক। ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে শহীদ মিনারসহ আশপাশ এলাকায়।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

র‌্যাবের নিরাপত্তা উদ্যোগ

র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান জানান, যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বোম্ব ডিস্পোজাল, সিসিটিভি ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াডসহ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশেপাশে ৬৪টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি চলবে। এ ছাড়া দেশব্যাপী পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আর ভালো হবে। র‌্যাব সতর্ক আছে, আইনশৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে। দাবি আদায়ের নামে জনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া হবে না।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই অনুষ্ঠানটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইভেন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে দিবসটি পালিত হতে পারে।