প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা: দুর্নীতির টাকা ফেরত এনে পরিবার ও কৃষক কার্ডে বিতরণ
দুর্নীতির টাকা ফেরত এনে পরিবার ও কৃষক কার্ডে বিতরণ

দুর্নীতির টাকা ফিরিয়ে এনে পরিবার ও কৃষক কার্ডে বিতরণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং সেগুলো পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে পুনর্বণ্টন করা হবে। তিনি শনিবার বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী শাহেদ জিয়া ডিগ্রি কলেজে ৯১১ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে পরিবার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন।

‘জনগণের টাকা ফিরিয়ে দেব’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকারের আমলে দুর্নীতির মাধ্যমে লাখ লাখ কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। আমরা এই দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই। এটা জনগণের টাকা; তাদের টাকা পাচার হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে আমরা পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করব, ইনশাআল্লাহ।’

গ্রামকেন্দ্রিক পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের আসন্ন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মূলত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক হবে। তিনি বলেন, ‘দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে; আমরা তাদেরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’ নির্বাচনী অঙ্গীকার স্মরণ করে তিনি যোগ করেন, ‘আমরা জনগণকে পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। ইতিমধ্যে সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। দেশজুড়ে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জনসভা উদ্বোধন ও অন্যান্য কর্মসূচি

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভা, বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন নির্মিত ভবন এবং বাইতুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ধাপে ধাপে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা।’

এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা অর্থনৈতিক পুনর্বাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয় জোরদার করার দিকে সরকারের অগ্রাধিকার প্রতিফলিত করে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।