পিতার স্মৃতিচিহ্ন পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পিতার স্মৃতিচিহ্ন পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরের সাতাশ মৌজায় মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশের প্রথম 'জাতীয় দুর্যোগ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন উপস্থিত জনতা। এই অনুষ্ঠান কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা ছিল না, বরং তা রূপ নিয়েছিল ইতিহাস ও আবেগের এক অনন্য মোহনায়।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিশেষ উপহার

অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঠিক সেই মুহূর্তে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি বিশেষ উপহার তুলে দেন। এটি কোনো মহামূল্যবান সামগ্রী নয়, বরং ১৯৭৮ সালের এক ঐতিহাসিক স্মারকচিহ্ন, যা বহন করছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের স্মৃতি।

১৯৭৮ সালের ঐতিহাসিক স্মারক

১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান গাজীপুরকে ঢাকা জেলা থেকে আলাদা করে নতুন মহকুমা ঘোষণা করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ঘোষণার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মারকচিহ্নটি জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর জন্য নিয়ে আসেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

উপহারটি হাতে নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর অভিব্যক্তিতে এক অন্যরকম পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের প্রটোকল ছাপিয়ে তিনি মুহূর্তের জন্য হয়ে ওঠেন কেবলই এক অনুগত পুত্র। পরম মমতায় পিতার স্মৃতিবিজড়িত স্মারকটি ছুঁয়ে দেখেন তিনি। উপস্থিত সবাই দেখেছেন, শক্ত হাতে দেশের হাল ধরা মানুষটি পিতার স্মৃতির স্পর্শ পেয়ে কতটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। যেন ৪৮ বছর আগের সেই দিনটি এবং পিতার আদর্শের উপস্থিতি তিনি মনেপ্রাণে অনুভব করছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

উপহারটি পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে নিজের আবেগ ও ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেন। এমন একটি স্পর্শকাতর ও অর্থবহ উপহারের জন্য গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মন্ত্রী এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন, ইতিহাসকে এভাবে বাঁচিয়ে রাখা এবং একজন সন্তানের কাছে তার পিতার স্মৃতিকে সযত্নে তুলে ধরার এই প্রয়াস সত্যিই প্রশংসনীয়।