শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় দেশব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন শেষে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে এ আয়োজন হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত শিশুদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত মুহূর্ত

এসময় তিনি শিশুদের হাতে কেক ও চকলেট তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীকেও কেক খাইয়ে দেয় তারা। শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্ত উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ভূমি ভবনের পরিবেশ তখন হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। শিশুদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তোলে এবং তার সান্নিধ্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তারা।

প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের উদ্দেশে বক্তব্য

চকলেট-টফি দিতে দিতে শিশুদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই? প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শোনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সাথে কেক কাটি।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিশুদের সঙ্গে কেক কাটা ও করতালি

শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেক কাটেন সরকার প্রধান। এ সময়ে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কক্ষ। ‘শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।’ এর মধ্যে একজন শিশু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়।

মন্ত্রীর বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারা দেশে এ ধরনের ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি আরো জানান, চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যায় ৬০ জন। আজ উপস্থিত ৫৫ জন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর বিদায়

প্রধানমন্ত্রী ডে কেয়ার সেন্টারটিতে আনন্দঘন অবস্থান শেষে হাত নেড়ে ‘টা-টা’ দিয়ে শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ভূমিসেবা মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ভূমিসেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও নাগরিকদের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়।