বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ৯ এপ্রিল নির্বাচন: প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ৯ এপ্রিল নির্বাচন

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের সংসদীয় নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে এই দুই আসনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হচ্ছে, যা চলবে আগামী ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

নির্বাচনের পটভূমি ও প্রার্থীদের তালিকা

গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোট স্থগিত করে। পরে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। শেরপুর-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এই আসনে ভোটের মাঠে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।

অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন। গত নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হলেও, সংসদে একই সঙ্গে দুটো আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্বাচনি প্রক্রিয়া ও সময়সূচি

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা সোমবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণ আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই নির্বাচনটি জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনি প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন নজরদারি বাড়িয়েছে।