নেপালে ইতিহাস গড়ছে র্যাপার-রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহের দল, দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়
নেপালে ইতিহাস গড়ছে র্যাপার-রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহের দল

নেপালে ইতিহাস গড়ছে র্যাপার-রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহের দল

নেপালের সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনা চলমান অবস্থায় র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ ও সাবেক কাঠমান্ডু মেয়র বালেন্দ্র শাহের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে। এটি দেশের দ্বৈত-ভোটিং ব্যবস্থায় একটি ঐতিহাসিক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আসন বণ্টনের চিত্র

শাহের দল এ পর্যন্ত ১৬৫টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের মধ্যে ১২৪টি এবং ১১০টি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব আসনের মধ্যে ৫৮টি জয় করেছে। এর ফলে দলটি সুপারমেজরিটি বা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র দুইটি আসন দূরে রয়েছে।

যদি এই লক্ষ্য অর্জিত হয়, তাহলে এটি হবে দশকগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো যখন নেপালের নিম্নকক্ষে একটি একক দল আধিপত্য বিস্তার করবে। বিবিসির বরাতে ইউএনবি এই তথ্য জানিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বড় বিজয় ও প্রতীকী ঘটনা

৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ জাফা ৫ আসনে চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে পরাজিত করেছেন। এই আসনটি ওলির কমিউনিস্ট পার্টির ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

এছাড়াও, আরএসপির অন্যান্য প্রার্থীরা নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি গগন থাপাসহ বেশ কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে হারিয়েছেন। সমর্থকরা দেশজুড়ে উৎসব পালন করেছেন এবং আরএসপির নির্বাচনী প্রতীক ঘণ্টা বাজিয়ে বিজয় উদযাপন করেছেন।

পটভূমি ও বিশ্লেষণ

এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ছয় মাস আগের প্রাণঘাতী জেন জেড বিক্ষোভের পর। দুর্নীতি, বৈষম্য এবং অভিজাত শাসনের বিরুদ্ধে ওই বিক্ষোভ ওলির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ভোটারদের রাজনৈতিক পুনর্নবীকরণ এবং শক্তিশালী শাসনের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ভূমিধস বিজয় সত্ত্বেও সাংবিধানিক পরিবর্তন সীমিত থাকবে, কারণ উচ্চকক্ষ আলাদাভাবে নির্বাচিত হয়। নেপালের নতুন সংসদ ভবন, যা বিক্ষোভের সময় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসমাপ্ত ছিল, মার্চের শেষ নাগাদ অধিবেশন আয়োজনের কথা রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ আন্তর্জাতিক নেতারা শাহ ও আরএসপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

যুব প্রতিনিধিত্বের রেকর্ড

এই নির্বাচনে যুব প্রতিনিধিত্বের রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। ৩০ বছরের কম বয়সী ১২ জন আইনপ্রণেতা সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে আসন জয় করেছেন, যা নেপালের তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরেছে।