রাঙ্গামাটিতে নির্বাচনী দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার সাময়িক বরখাস্ত
নির্বাচনী দায়িত্বে অবহেলায় রাঙ্গামাটির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

নির্বাচনী দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রাঙ্গামাটির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার এক ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে দুই মাসের জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রবিবার (৮ মার্চ) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট চিঠিটি রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ২৯৯ রাঙ্গামাটি আসনের বিলাইছড়ি উপজেলার রাইমংছড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (হেলিসটি) ভোটকেন্দ্রে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। অভিযোগ অনুসারে, তিনি কোনোরকম পূর্বানুমতি বা তথ্য প্রদান ছাড়াই নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে বিরত থাকেন। এই কাজটি নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত) এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ

এই অসদাচরণের কারণে, নির্বাচন কমিশন ওই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত) এর ধারা ৫(৩) অনুযায়ী দুই মাসের জন্য চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ এবং সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি তার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্বাচন কমিশন আরো নির্দেশ দিয়েছে যে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত) এর ধারা ৫(১) ও ৫(২) অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক কার্যধারা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই পদক্ষেপটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।

এই ঘটনাটি নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ অবহেলা রোধে সহায়ক হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের এই কঠোর অবস্থান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।