প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে শপথ নিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যরা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে সংসদ সদস্যদের শপথ

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে শপথ নিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যরা

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছ থেকে শপথ নিয়েছেন। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথগ্রহণ কক্ষে এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাসের প্রথম ঘটনা

দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনও প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের শপথ পাঠ করাচ্ছেন। গতকাল সোমবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠানো হয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে।

বিজয়ী সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিতদের শপথ পড়ানোর পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যদের শপথও পড়াবেন সিইসি। এ বিষয়ে গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে দেওয়া ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সই করা চিঠিতে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথগ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব

সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সিইসিকে নতুন সংসদ সদস্যের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে আজ সকাল থেকে শপথ নিতে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় আসতে থাকেন নবনির্বাচিতরা। ভিড় করে নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতা। শপথকে ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্বাচনের ফলাফল

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২৯৭ জন সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীর গেজেট শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ইসি ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে ২১১টি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পায় ৭৭টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে বিজয়ী হন।

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শপথ নেওয়ার এই প্রক্রিয়া নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।