ঢাকা-১১ আসনে এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলামের জয়, বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপি নাহিদ ইসলামের জয়, বিএনপির চেয়ে ২ হাজার ভোট বেশি

ঢাকা-১১ আসনে এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলামের জয়, বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি

ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি পেয়ে এই আসনে জয়লাভ করেছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৭টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন।

ভোটের বিস্তারিত ফলাফল

নাহিদ ইসলাম শাপলা কলি প্রতীকে মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। এই হিসাবে নাহিদ ইসলাম কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট এগিয়ে রয়েছেন।

ঢাকা-১১ আসনে পোস্টাল ভোটসহ মোট ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি, ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি। ভোট পড়ার হার ছিল ৪৫ শতাংশ, যা এই আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য প্রার্থীদের ফলাফল

এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ ফজলে বারী মাসউদ হাতপাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ লাঙল প্রতীকে ১ হাজার ৪৮ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তর ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭৯৪ ভোট পেয়েছেন। এই ফলাফলগুলো ঢাকা-১১ আসনের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বিচিত্র চিত্র তুলে ধরেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই নির্বাচনী ফলাফল ঢাকা-১১ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশে একটি নতুন মোড় আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। নাহিদ ইসলামের জয় এনসিপির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে বিএনপি প্রার্থী কাইয়ুমের ফলাফল দলের জন্য কিছুটা হতাশাজনক হতে পারে। ভোট পড়ার হার এবং ভোট বাতিলের সংখ্যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।