হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শিশুদের ঝগড়ার জেরে সংঘর্ষে ২০ জন আহত, কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর
বানিয়াচংয়ে শিশুদের ঝগড়ার জেরে সংঘর্ষে ২০ জন আহত

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শিশুদের ঝগড়ার জেরে সংঘর্ষে ২০ জন আহত, কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলায় শিশুদের মধ্যে সংঘটিত একটি তুচ্ছ ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বিশেষভাবে গুরুতর বলে স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার সময় ও স্থান

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বানিয়াচং উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে এ হিংসাত্মক সংঘর্ষের ঘটনা সংঘটিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আগের দিন রোববার সন্ধ্যায় মঞ্জুর আলীর ছেলে ও একই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলের মধ্যে সামান্য একটি বিষয় নিয়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

ঝগড়ার জেরে সংঘর্ষের বিস্তার

শিশুদের মধ্যে ওই ঝগড়ার জের ধরে পরদিন রাতে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিশোধমূলক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও মুরুব্বিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তবে সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন ব্যক্তি মারাত্মকভাবে আহত হন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ব্যক্তি জমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আহতদের অবস্থা ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

জমির আলীর শরীরে একাধিক টেঁটাবিদ্ধ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা তাঁর অবস্থাকে অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন করে তুলেছে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে এলাকার সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যাবশ্যক বলে মনে করছেন তারা।