গাজীপুরের শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: অপহরণ মামলার আসামি গ্রেফতারে বাধা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা, সাত সদস্য আহত

গাজীপুরের শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: অপহরণ মামলার আসামি গ্রেফতারে বাধা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় অপহরণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় এক নারীসহ মোট সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন এসআই এবং বাকি ছয়জন কনস্টেবল রয়েছেন।

গ্রেফতার ও হামলার বিস্তারিত

টাঙ্গাইল সদর থানার একটি অপহরণ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মনির হোসেন (৫০) ও তার ছেলে আদিল (২২)-কে গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম নিজমাওনা গ্রামে যায়। শ্রীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তারা বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে। তবে, পুলিশের গাড়িতে ওঠানোর সময় আসামিদের স্বজনরা ভুয়া পুলিশ এবং ডাকাত বলে চিৎকার দেয়। এতে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ির সামনে বিক্ষোভ করে এবং একপর্যায়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

আহত ও গ্রেফতারকৃতদের তালিকা

হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন: এসআই তাজুল ইসলাম, কনস্টেবল জাকির হোসেন, বাচ্চু মিয়া, কামরুল হাসান, ফাতেমা আক্তার, মোজাম্মেল হোসেন এবং হাসানুর রহমান। তারা টাঙ্গাইল সদর থানা এবং শ্রীপুর থানায় কর্মরত রয়েছেন। অন্যদিকে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে অপহরণ মামলার দুই আসামি ছাড়াও হামলার ঘটনায় জড়িত দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে সবাই শ্রীপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চিকিৎসা ও পুলিশের বক্তব্য

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফজলুল হক সুমন জানান, আহত সাত পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতাল ছেড়েছেন। মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান বলেন, "হামলার খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চারজনকে গ্রেফতার করে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা প্রক্রিয়া

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও হামলার ঘটনায় জড়িত দুই নারীকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই ঘটনা স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং কর্তৃপক্ষ তদন্ত জোরদার করেছে।