রংপুরের মিঠাপুকুরে হোটেল থেকে সাইদুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার, 'ডিবি পুলিশ' পরিচয়ে ছিলেন
মিঠাপুকুরে হোটেল থেকে সাইদুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার

রংপুরের মিঠাপুকুরে হোটেল কক্ষে মরদেহ উদ্ধার: 'ডিবি পুলিশ' পরিচয়ে ছিলেন সাইদুর রহমান

রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার একটি আবাসিক হোটেল থেকে সাইদুর রহমান (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার বিবরণ

বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার শঠিবাড়ী এলাকায় অবস্থিত 'শঠিবাড়ী রেস্ট হাউজ' এর একটি রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষের বর্ণনা অনুযায়ী, নিহত সাইদুর রহমান নিজেকে 'ডিবি পুলিশ' হিসেবে পরিচয় দিয়ে গত নভেম্বর মাস থেকে ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন।

সর্বশেষ গত বুধবার দীর্ঘ সময় ধরে কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হোটেল কর্মচারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা জানালা দিয়ে ভেতরে দেখার চেষ্টা করলে সাইদুর রহমানকে অস্বাভাবিক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এই দৃশ্য দেখে দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান যে সাইদুর রহমান বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে মিঠাপুকুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মিঠাপুকুর থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান জানান, 'খবর পেয়ে আমরা হোটেলের রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছি। নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্ড দেখে তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।'

পুলিশের ভাষ্য অনুসারে, ঘটনার পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার সন্তানরা জানান যে সাইদুর রহমান গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় থাকেন না এবং পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। নিহত সাইদুর রহমান ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ভেটনা গ্রামের পেশকার আলীর ছেলে বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমান অবস্থা

এই ঘটনায় পুলিশ একটি তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার কারণ ও পটভূমি খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, হোটেল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।