টেন্ডার বিরোধে হাসপাতাল কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা: র্যাবের অভিযানে ৫ গ্রেপ্তার
টেন্ডার বিরোধে হাসপাতাল কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা, র্যাবের অভিযানে ৫ গ্রেপ্তার

টেন্ডার বিরোধে হাসপাতাল কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা: র্যাবের অভিযানে ৫ গ্রেপ্তার

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ঢাকার মোহাম্মদপুরে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক ডা. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। র্যাবের আইন ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেড ইনতেখাব চৌধুরী মঙ্গলবার কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধকে হামলার কারণ হিসেবে চিহ্নিত

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় ইনতেখাব চৌধুরী জানান, দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে হাসপাতাল কর্মকর্তাকে ভয়ভীতি দেখানোর উদ্দেশ্যে ভাড়াটে আক্রমণকারীদের মাধ্যমে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ঘটনাটি একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টার অংশ ছিল, যা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের প্রতিফলন।

র্যাবের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আক্রমণকারীরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ডা. হোসেনের হাত ও পিঠে আঘাত হানে। ঘটনার পর তাকে প্রথমে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অজ্ঞাতপরিচয় ৮ থেকে ১০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

ঘটনার পর হাসপাতালের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বনানী থানায় ৮ থেকে ১০ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি তীব্র করা হয়। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১ এবং র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা উইংয়ের যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের ফলে রাজধানীর দক্ষিণখানসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় ও পূর্ববর্তী অপরাধের ইতিহাস

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম হলো শরিফুল আলম করিম, আমিনুল ইসলাম কালু, সালাউদ্দিন বোদি, সাজ্জাদ এবং আরিফুজ্জামান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, এই সন্দেহভাজনদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এই গ্রেপ্তারগুলো টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন। র্যাবের এই সফল অভিযান ভবিষ্যতে অনুরূপ অপরাধ প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।