ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ও ঈদযাত্রাকেন্দ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রবিবার (২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণবিজ্ঞপ্তির মূল নির্দেশনা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা মহানগর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবেন। পবিত্র ঈদের সময় আনুমানিক ১ কোটির বেশি মানুষ ঢাকা মহানগর ত্যাগ করেন এবং প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করেন। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা এবং কোরবানির পশুর হাটসংলগ্ন যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ অবস্থায় নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
পশুর হাট পরিচালনার নির্দেশনা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পশুর হাটের ইজারায় উল্লেখিত সীমানা ও স্কেচ ম্যাপের বাইরে সড়কের ওপর কোনোভাবেই কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় এবং লোড-আনলোড করা যাবে না। কোরবানির পশু পরিবহনকারী যানবাহন আনলোড করার জন্য এবং বিক্রয়কৃত পশু ট্রাক বা পিকআপে লোড করার জন্য হাটের ভেতরে পৃথক পৃথক জায়গা খালি রাখতে হবে। যদি হাটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকে, তবে নিকটবর্তী কোনো স্থানে পৃথকভাবে আনলোড এবং বিক্রিত পশু লোড করার স্থান নির্ধারণ নিশ্চিত করতে হবে।
সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার নির্দেশনা
সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় কোরবানির পশু পরিবহনের ক্ষেত্রে কোন হাটে পশু যাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট হাটের নামসংবলিত ব্যানার ট্রাকের সামনে টাঙাতে হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, মহাসড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে কোনো পশুর হাট ইজারা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো পশুর হাট ঢাকা মহানগরের ফিডার রোড বা সরু সড়কের পাশে ইজারা দেওয়া হয়, তবে সড়ক এবং হাটের মাঝে ৬ ফুট উঁচু প্রাচীর স্থাপন করতে হবে এবং সুবিধাজনক স্থানে প্রবেশ ও পৃথক প্রস্থানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা
পশুর হাটসংলগ্ন সড়কগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে সহযোগিতার জন্য ইজারাদারদের পর্যাপ্তসংখ্যক কর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতেও বলা হয়েছে নির্দেশনায়। এতে উল্লেখ করা হয়, পশুর হাটে যাতায়াতকারী রাস্তায় কোনোভাবেই ক্রেতাদের গাড়ি বা পশুবাহী ট্রাক-পিকআপ পার্কিং করা যাবে না। কেউ পার্কিং করলে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি আটক করে ডাম্পিং বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আইনানুগ ব্যবস্থা ও নির্দেশনা
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পশুর হাটের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা না করা হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া সড়কের ওপর যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই না করে যথাসম্ভব নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করতে হবে।



